fbpx
Home / Uncategorized / ত্বকের ৪ ধরনের অ্যালার্জি | লক্ষণ ও প্রতিকারসমূহ কী কী?

ত্বকের ৪ ধরনের অ্যালার্জি | লক্ষণ ও প্রতিকারসমূহ কী কী?

টবেলা থেকে দেখে আসছি মা চিংড়ি খান না। অথচ চিংড়ি মায়ের ভীষণ পছন্দের। চিংড়ি খেলেই নাকি মায়ের শ্বাসকষ্ট হয়। আবার আমার বেগুন খেলেই গায়ে চুলকানো শুরু হয়ে যেত দেখে মা আমাকে বেগুন খাওয়াতেন না। তখন থেকেই বলা শিখলাম- “বেগুনে আমার অ্যালার্জি।” অনেক দিন আগে গরমের ছুটিতে গ্রামের বাড়ি গিয়েছিলাম, সেখানে অদ্ভূত এক ঘটনা ঘটেছিল! সবাই মিলে যখন মজা করে আম খাচ্ছিলাম, তখন হঠাৎ করেই আমার এক ভাইয়ের শ্বাসকষ্ট শুরু হয়ে গেল, একইসাথে গায়ে চাকা চাকা হয়ে ফুলে গেল! তখন শুনলাম আমে নাকি তার অ্যালার্জি আছে! আর আমার পাশের বাসার দাদুতো তার নাতিকে বিড়াল পুষতে দেন না। বলেন বিড়াল বাড়িতে থাকলে হাঁপানি রোগ মানে শ্বাসকষ্ট হয়! ব্যাপারটা বেশ আশ্চর্যজনক কিন্তু! কারো চিংড়িতে, কারো আমে, কারো বেগুনে আবার কারো বা পোষা কুকুর বা বিড়ালে আবার কেউ ফুলের সুবাস নিয়ে হাঁচি দিলেও বলে অ্যালার্জি! কী অদ্ভূত তাই না? সবাই শুধু অ্যালার্জি নিয়ে চিন্তায় থাকে। ত্বকের ৪ ধরনের অ্যালার্জি নিয়ে জানার আগে জানতে হবে আসলে এই অ্যালার্জি কী? কত ধরনেরই বা অ্যালার্জি আছে? আর এই অ্যালার্জি থেকে পরিত্রাণ পাবার উপায়টাই বা কী? আসুন তাহলে জেনে নেয়া যাক অ্যালার্জির আদ্যোপান্ত! অ্যালার্জি কী?-অ্যালার্জি আসলে আমাদের ইমিউন সিস্টেম (Immune System) বা রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার সমস্যার বহিঃপ্রকাশ। সাধারণত, আমাদের ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা তখনই আমাদের দেহের সুরক্ষার জন্য কাজ করে যখন কোনো ক্ষতিকর বস্তু, যেমন- ব্যাকটেরিয়া,ভাইরাস, ছত্রাক ও বিভিন্ন ধরনের পরজীবী আমাদের দেহে প্রবেশ করতে চায়। এক্ষেত্রে খুব স্বাভাবিকভাবেই আমাদের ইমিউন সিস্টেম কাজ করে। তাহলে সমস্যার উদ্ভব কোথায়? হ্যাঁ, সমস্যাটা তখনি হয় যখন রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা অক্ষতিকর বস্তুকেও ক্ষতিকর ভেবে দেহের সুরক্ষার কাজ করে। আর এর বহিঃপ্রকাশ ঘটে কারো হাঁচির মাধ্যমে, চোখের অ্যালার্জি, কারো চুলকানি, কারও বা শ্বাসকষ্ট ও র‍্যাশ বা চাকা হয়ে ফুলে ওঠার মাধ্যমে। বলে রাখা ভালো, যে সকল বস্তুর কারণে আমাদের আলার্জি হয়, তাকে অ্যালার্জেন বলে। তার মানে অ্যালার্জি কোনো রোগ নয়। এটি রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার বিরূপ অবস্থার একটি লক্ষণ মাত্র।কত ধরনের অ্যালার্জি রয়েছে? অনেক ধরনের অ্যালার্জি রয়েছে যা প্রধান ৪টি শ্রেণীতে অন্তর্ভূক্ত। প্রধান ৪টি শ্রেণী হলো- ১) ত্বকের সংস্পর্শে (skin contact) ২) আহারে (Ingestion) ৩) ইনজেকশন (Injection) ৪) শ্বাস-প্রশ্বাসে (Inhalation) আজ আপনাদের জানাবো, ত্বকের সংস্পর্শে অ্যালার্জেন আসলে যে সকল অ্যালার্জি হয় তা নিয়ে। ত্বকের সংস্পর্শে অ্যালার্জি ( Skin contact allergy) আমাদের ত্বকে বা স্কিন-এর যে আলার্জি হয় সেগুলোকেই ত্বকের সংস্পর্শে অ্যালার্জি বলা হয়। এর মধ্যে রয়েছে গাছপালা, ধুলোবালি, পশুপাখি, এমনকি গহনাও! কী করবেন ত্বকের বিভিন্ন ধরনের অ্যালার্জি-এর যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে? চলুন জেনে নেই ত্বকের ৪ ধরনের আলার্জি সম্পর্কে!

About oneworld

Check Also

রসুন খেলে ৩ গুণ বেড়ে যায় পুরু’ষের শা’রীরিক সক্ষ’মতা

অনেকের দেখাযায় অতিরিক্ত মাত্রায় শা’রীরিক মেলামেশা করার ফলে শুক্র সল্পতা দেখা দেয় অর্থাৎ শুক্রাণুর মাত্রা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *