fbpx
Home / Uncategorized / জেনে নিন কি ভাবে ভালো হজমশক্তি ওজন কমাতে সাহায্য করে

জেনে নিন কি ভাবে ভালো হজমশক্তি ওজন কমাতে সাহায্য করে

নিয়মিত ডায়েট মেনে খাদ্য গ্রহণের পরও কেন আপনার ওজন কমছে না ভেবে নিশ্চয়ই চিন্তিত আপনি? আপনার ভুঁড়ি বাড়ার জন্য কিন্তু দায়ী থাকতে পারে অন্য অনেক সমস্যা যা সম্পর্কে আপনি অবগতও নন। অতিরিক্ত চাপ অথবা পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব কিন্তু আপনার ওজন বৃদ্ধির জন্য দায়ী হতে পারে। ঠিক এক-ই ভাবে হজমের সমস্যাও কিন্তু দায়ী হতে পারে ওজন বৃদ্ধির জন্য। হজমের সমস্যা হওয়ার বেশ কিছু সাধারণ ফলাফল আমরা দেখতে পাই। সেগুলি হলো অম্বল, কোষ্ঠকাঠিন্য,ডায়ারিয়া প্রভৃতি। কিন্তু সবার বোধহয় জানা নেই এর সঙ্গে ওজন বৃদ্ধির বিষয়টি কতটা জড়িত। হজমের সমস্যা মানে কিন্তু এটা বুঝে নিতে হবে যে খাদ্যটি শরীরে যথাযথ ভাবে মিশে যেতে কোনো বাধা পাচ্ছে। হজমের প্রক্রিয়াটি হলো শরীরের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। আর স্বাভাবিক ভাবেই যদি খাদ্য সম্পূর্ণরূপে হজম না হয় তবে তা বিপাক প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রেও সমস্যার সৃষ্টি করবে। পুষ্টিবিজ্ঞানী ডঃ রুপালি দত্ত জানিয়েছেন যে হজম এর সমস্যা একদিকে যেমন ওজন বৃদ্ধি ঘটায় ঠিক তেমনভাবেই শরীর থেকে খাদ্যের অপ্রয়োজনীয় অংশগুলিকে বের করে দেওয়ার ক্ষেত্রেও বাধা দান করে যা বিপাক প্রক্রিয়াটিকেই সম্পূর্ণ ভাবে নষ্ট করে দেয়।মাক্রোবায়োটিক পুষ্টিবিজ্ঞানী শিল্পা অরোরা এনডি খাদ্যের সঠিক সংশ্লেষণ এবং ওজন হ্রাসের বিষয়টি যে এক, সে বিষয়ে সহমত পোষণ করে বলেছেন যে খাদ্যে যদি পুষ্টির মাত্রা যথাযথ রূপে থাকে তবে তা ঠিক প্রক্রিয়ায় শরীরে মিশে যায় কিন্তু যদি খাদ্যে পুষ্টির পরিমান কম থাকে তবে আপনি ক্ষুধার্ত বোধ করেন এবং শরীরে ম্যাক্রো এবং মাইক্রো পরিপোষকের চাহিদা বেড়ে যায়। যথাযথ পুষ্টিকর খাদ্য আমাদের ওজন কমাতে সাহায্য করে।ওজন বৃদ্ধির সাথে বিষাক্ত বস্তুর পরিমান বৃদ্ধিও ভীষণ ভাবে সম্পর্কযুক্ত। সেই সমস্ত খাবার এড়িয়ে চলুন যাতে ক্যালোরি, ট্রান্স ফ্যাট এবং জল এর পরিমান বেশি। তার বদলে সেসব খাবার খান যাতে ট্রান্স ফ্যাটের পরিমান কম। আভাকাডো,বাদাম,অলিভ অয়েল খাবার চেষ্টা করুন,এগুলি কেবল হজমে সাহায্যই করে না তার সাথে টক্সিন তৈরিতে বাধা দেয়।হজম শক্তি বাড়ানোর উপায়: 1) ফাইবার জাতীয় খাবার খান: ফাইবার জাতীয় খাদ্য সর্বদাই শরীরের জন্য উপকারী,এটি অন্ত্র পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। ফাইবার জাতীয় খাদ্য আপনাকে বারে বারে ক্ষুদার্থ বোধ করায় না এবং এর জন্য আপনার খাদ্যের নিয়মিত তালিকায় রাখুন পেয়ারা,আপেল,শস্য জাতীয় খাদ্য,আভাকাডো,পালংশাকের মতো উপাদানকে। 2) পর্যাপ্ত পরিমানে জল খান: পর্যাপ্ত পরিমান জল শরীর থেকে অপ্রয়োজনীয় জিনিষ কে শারীরিক নিয়মে বের করে দেয়। দিনে অন্তত 8 গ্লাস জল খাওয়া উচিত। জল যেমন কোষ্ঠকাঠিন্য এর মতো সমস্যা দূরে রাখতে সাহায্য করে ঠিক তেমনই শরীরে টক্সিন জমতে দেয় না। তবে পর্যাপ্ত পরিমানে জল না খেলে শরীরে হজম এর বিবিধ সমস্যা দেখা দিতে পারে। 3) প্রোবায়োটিক খাদ্য খান: দই, সোয়া দুধ এর মতো প্রোবায়োটিক খাদ্য হজমের জন্য ভীষণ ভাবে উপকারী। ইমিউন সিস্টেম উন্নত করার পাশাপাশি চাপ কমাতে এর উপকারিতা প্রবল। 4) হজম শক্তি বাড়িয়ে তুলুন আয়ুর্বেদের সাহায্যে: “দ্য কমপ্লিট বুক অফ আয়ুর্বেদিক হোম রেমেডিস” বইটি অনুযায়ী খাবার পূর্বে যদি একটু কুচোনো আদার সাথে একটু লেবুর রস আর সামান্য নুন মিশিয়ে চিবিয়ে নেওয়া যায় অথবা অর্ধেক চা চামচ তেজপাতা গরম জলে ফেলে 10 মিনিট ভিজিয়ে চা বানিয়ে খান তবে আপনার হজমে বিশেষ উপকার করবে।যদি এই নিয়ম গুলি মেনে চলতে পারেন তাহলে তা আপনার ওজন কমানোর পাশাপাশি হজমের সমস্যারও সমাধান করবে।

About oneworld

Check Also

মা-বাবার রক্তের গ্রুপ একই হলে সন্তান জন্মে কোনো সমস্যা হয় কী?

প্রশ্ন: মা-বাবার রক্তের গ্রুপ একই হলে সন্তান জন্মে কোনো সমস্যা হয় কী? উত্তর: অনেকেরই ধারণা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *