Categories
Uncategorized

মা-বাবার রক্তের গ্রুপ একই হলে সন্তান জন্মে কোনো সমস্যা হয় কী?

প্রশ্ন: মা-বাবার রক্তের গ্রুপ একই হলে সন্তান জন্মে কোনো সমস্যা হয় কী?

উত্তর: অনেকেরই ধারণা যে মা-বাবার রক্তের গ্রুপ এক হলে সন্তানের নানা সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা থাকে। আসলে ধারণাটি অমূলক। তবে মায়ের নেগেটিভ রক্তের গ্রুপ ও বাবার পজিটিভ গ্রুপ থাকলে অনেক সময় শিশু বাবার গ্রুপ পায় এবং এ কারণে সমস্যা হতে পারে। আবার মায়ের ও পজিটিভ কিন্তু শিশুর এবি বা বি পজিটিভ হলেও জন্ডিস বা অন্য কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে।

অধ্যাপক তাহমীনা বেগম
শিশুরোগ বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল

বিঃদ্রঃ রক্তের গ্রুপ না মিললে বাচ্চা নেয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিলেই আর কোনো সমস্যা হয় না।বাজারে সবচেয়ে বেশি বিক্রিত বেশ কয়েকটি নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মান নিয়ে যৌথভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টার ও ফার্মেসি অনুষদ।

তাদের গবেষণায় প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যাচ্ছে যে, পাস্তুরিত ও অপাস্তুরিত দুধে ডিটারজেন্ট, এন্টিবায়োটিক ও ফরমালিন, গুঁড়া মশলায় (হলুদ) টেক্সটাইল রঙের উপস্থিতি এবং তেল (পামওয়েল, সরিষা, সয়াবিন), ঘি ও ফ্রুট ড্রিংকস বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) নির্ধারিত মান উত্তীর্ণ হতে পারেনি।আজ (২৫ জুন) সকালে ঢাবির ফার্মেসি লেকচার থিয়েটারে (পিএলটি) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের শিক্ষক এবং বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক আ ব ম ফারুক।

Categories
Uncategorized

সারাদিন ভরপুর অ্যানার্জি পেতে সকালে করুন ৭ কাজ

মনে করা হয়, সকাল বেলাটাই দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। দিন শুরুর প্রথম দু-এক ঘণ্টা আপনি কীভাবে কাটাবেন, তার ওপরেই নির্ভর করে বাকি দিনটা আপনার কীভাবে কাটবে।

জেনে নিন, দিনের শুরুটা দারুণভাবে করার কয়েকটি টিপস। দিনের শুরুতে এই সাত কাজ করলে, গোটা দিনে আপনি থাকবেন ফুরফুরে, সতেজ। বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

* ঘুম থেকে উঠেই নিজের বিছানা নিজে পরিপাটি করে গুছিয়ে রাখুন। অনেকেই এই কাজটা না করলেও সব কাজ গুছিয়ে করার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। খুব সাধারণ এই ঘরের কাজ আপনার মনের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। সকালে গুছিয়ে তোলা বিছানা আপনাকে মানসিক পরিতৃপ্তি দেয়। তাই দিনের শুরুতে এটাই হোক আপনার প্রথম কাজ।

* ঘুম থেকে উঠেই এক গ্লাস পানি খেতে ভুলবেন না। সকালে শরীরকে আর্দ্র করা অত্যন্ত জরুরি। সকালে উঠে পানি খেলে শরীর অ্যানার্জি পাবে, ঘুমিয়ে থাকা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো ঠিকমতো কাজ শুরু করবে। সকালে উঠেই এক গ্লাস পানি আপনার শরীরে সারা রাত ধরে জমা ক্ষতিকর টক্সিন বের করতেও সাহায্য করবে।

* এরপর করতে হবে ব্যায়াম। জিম হোক বা সাঁতার, হাঁটা হোক বা জগিং, সকালে উঠে ওয়ার্কআউট কিন্তু আবশ্যক। এর ফলে শুধু আপনার শরীর নয়, অ্যানার্জি পাবে আপনার মনও। কাজ করার নতুন উদ্যম পাবেন আপনি।

* সারাদিন আপনি কী কী করবেন, তার একটা তালিকা তৈরি করে ফেলুন এবার। যদি ব্যাংকে যেতে হয়, বা ডাক্তারের কাছে অ্যাপয়েন্টমেন্ট থাকে, পাশে তার সময়ও উল্লেখ করুন। অগ্রাধিকার অনুযায়ী কাজগুলো সাজিয়ে ফেলুন। দেখবেন অনেক সহজে সব কাজ হয়ে যাচ্ছে।

* সকালে উঠে মোবাইল ফোন ঘাঁটা বন্ধ করুন। নতুন কী নোটিফিকেশন এলো, তা দেখতেই সকালে অনেকটা সময় নষ্ট হয় আমাদের। সকালে বেশ কিছুটা সময় শুধু নিজের জন্য রাখুন।

* এবার আপনি চটজলদি সারাদিনের জন্য তৈরি হয়ে নিন। দাঁত ব্রাশ করা, গোসল সারা, জামাকাপড় রেডি করে রাখা, সব সেরে ফেলুন ঝটপট। কোনটার পর কোনটা করবেন, তা ঠিক করে ফেলুন।

* মর্নিং রুটিনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ব্রেকফাস্ট করা। সকালের খাবার হতে হবে স্বাস্থ্যকর ও পেটভর্তি। যা খুশি খেয়ে কাজে বেরিয়ে যাবেন না। দরকার হলে আগের দিন ঠিক করে রাখুন পরের দিন ব্রেকফাস্টে কী খাবেন।

আপনার সারাদিন কেমন কাটবে তার একটা আভাস সকালেই পাওয়া যায়। নতুন আশা, নতুন আকাঙ্ক্ষা জড়িয়ে থাকে প্রতিটি সকালেই। দিনের শুরুটা তাই সঠিকভাবে করতে পারলে সারাদিনে ইতিবাচক প্রভাব জড়িয়ে থাকে।

Categories
Uncategorized

‘গরুর দুধ খেলে শিশুর রক্তস্বল্পতা হতে পারে’

শিশু থেকে প্রবীণ, অনেকেই রক্তস্বল্পতায় ভোগে। দেহে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে গেলে, একে রক্তস্বল্পতা বলে। শিশুর রক্তস্বল্পতা হওয়ার কারণ কী, এ বিষয়ে কথা বলেছেন ডা. কমল কলি হোসেন। বর্তমানে তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার ইনল্যান্ড এমপায়ারে প্রাথমিক চিকিৎসা বিভাগে প্র্যাকটিস করেন। এনটিভির নিয়মিত আয়োজন স্বাস্থ্য প্রতিদিন অনুষ্ঠানের ৩৬৫৯তম পর্বে সাক্ষাৎকারটি প্রচার করা হয়।

উত্তর : রক্তস্বল্পতা আসলে শৈশব থেকেই শুরু হয়। আবার বড় বয়সেও হয়। তবে রক্তস্বল্পতা কেন হচ্ছে?  আমাদের দেহে একটি উপাদান রয়েছে, যেটি প্রোটিন—একে হিমোগ্লোবিন বলে। এটি অক্সিজেন বহন করে। অক্সিজেন বহনের ক্ষমতা যখন কমে যায়, সেই হিমোগ্লোবিন যখন কমে যায়, তখন একে রক্তস্বল্পতা বলে। তবে শৈশবে এটি বেশি হয়। যারা জন্মের সময় আড়াই কেজির কম ওজন নিয়ে জন্মায়, তাদের হতে পারে।

আবার একটু বড় হওয়ার পর অনেকের রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। এটি আসলে গরুর দুধ থেকে আসে। অনেকে ভাবেন, গরুর দুধ শিশুকে খাওয়ালে ভালো। তবে গরুর দুধ মাইক্রোস্কোপিক হিমাচুরিয়া করে। এতে প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যেতে পারে। এ জন্য গরুর দুধ সীমিত করতে হবে। অন্যান্য খাবার দিতে হবে। ছয় মাস পর্যন্ত শুধু মায়ের দুধ খাওয়াবে। ছয়মাস পর সঙ্গে বাড়তি খাবার যুক্ত হবে। তবে প্রায়ই দেখা যায়, গরুর দুধ খাওয়ানো হচ্ছে।

আসলে অনেক মা-ই তো কাজ করেন। কাজ করতে গেলে অনেক সময় বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন না। অনেকে আবার দেখা যায়, দুধ খাওয়ানোর পদ্ধতিও জানেন না।

আবার দেখা যায়, যখন বড় হচ্ছে, তখন পুষ্টিও ঠিক থাকে না। দেখা যায়, প্রোটিন খাচ্ছে না, আয়রন খাচ্ছে না। এ থেকেও রক্তস্বল্পতা হতে পারে। এ ছাড়া আরেকটি হলো, দুর্ঘটনাজনিত রক্তস্বল্পতা। দুর্ঘটনায় পড়লে রক্তস্বল্পতা হতে পারে।

আরেকটি হলো, মেয়েদের ঋতুস্রাব। এর সম্ভাব্য বয়স হলো, ১৩। কিন্তু নয় বা ১০ বছরে অনেকের হতে দেখা যায়। এই সময় অনেক রক্তপাত হলেও দেখা যায়, বাচ্চাদের রক্তস্বল্পতা হচ্ছে। পেটে কৃমি থেকেও অনেক সময় রক্তস্বল্পতা হয়। যারা খালি পায়ে হাঁটে, তাদের হতে পারে। এ ছাড়া জিনগত কারণেও রক্তস্বল্পতা হতে পারে। থেলাসেমিয়া থেকে হতে পারে। 

Categories
Uncategorized

ডিম যেভাবে খেলে পুষ্টিও মিলবে, মেদও আটকাবে

কম খরচে পুষ্টি। নিম্নবিত্ত-মধ্যবিত্ত মানুষের ডিমের ওপর ভরসা করার মূল কারণ এটাই। স্বাদ, পুষ্টি ও সুষম আহারের খোঁজে ডিমের সঙ্গে পাল্লা দেবে এমন খাবার খুব কমই রয়েছে। তবে একসময় মনে করা হতো, ডিমের কুসুমে কোলেস্টেরল বাড়ে। কিন্তু আধুনিক গবেষণা প্রমাণ করেছে, এ ধারণা ভিত্তিহীন। বরং ডিমের কুসুম খারাপ কোলেস্টেরলকে কমিয়ে ভালো কোলেস্টেরল বাড়াতে সাহায্য করে। 

ভারতীয় পুষ্টিবিদ সুমেধা সিংহের মতে, ‘ওজনে কোনো প্রভাবই ফেলে না ডিম। তেল-মসলার যেকোনো খাবারই ওজন বাড়ায়। ডিমও খুব কষিয়ে রান্না করলে বা ঘন ঘন ভেজে খেলে তেল-মসলার জন্যই মেদ বাড়ে। মেদ নিয়ে ভয় থাকলে ডিম বাদ দেওয়ার কোনো কারণই নেই। বরং বেশ কিছু উপায়ে ডিম খেলে মেদের সঙ্গে লড়া যায় নির্বিঘ্নে। শরীরও পায় পুরো পুষ্টিগুণ।’

তেল-ঝালের ডালনা বাদ দিন। ভাজাভুজি এড়াতে ঘন ঘন পোচ বা অমলেটকেও না বলুন। বরং ডিম খান এইসব উপায়ে :

পানি দিয়ে পোচ : তেল নয়, পোচ করুন পানি ও ভিনেগারের সাহায্যে। একটি পাত্রে কিছুটা পানি নিয়ে তাতে অল্প ভিনেগার যোগ করে পানিটা নেড়ে নিন। এবার খুব সাবধানে প্রথমে ডিমের সাদা অংশ ফেলুন জলে। তার ওপর ফেলুন ডিমের কুসুম। এমনভাবে কুসুম যোগ করতে হবে, যাতে তা ভেঙে না যায়। খানিক পরেই ডিমের সাদা অংশ ফুলে উঠে ঢেকে দেবে হলুদ কুসুমকে। সাদা আস্তরণের ভেতর টলটল করবে কুসুম। ঝাঁঝরি হাতা দিয়ে পোচটিকে আলতো করে তুলে নিন পানি থেকে। তেল ছাড়া এমন পোচই গোটা বিশ্বে জনপ্রিয়। ডিমের সবটুকু পুষ্টিগুণ মেলে এই পোচ থেকে। মেদ জমার ভয়ও থাকে না।

সালাদ : পালং, শসা, ব্রকলি, সিদ্ধ করা গাজর, কড়াইশুটি, টমেটো-পেঁয়াজের সালাদের সঙ্গে মিশিয়ে দিন সিদ্ধ ডিমের কুঁচোনো অংশ। পর থেকে ছড়ান গোলমরিচ ও লেবুর রস। এতে গোটা ডিমের পুষ্টিগুণ যেমন মিলবে, তেমনই আবার সবুজ সবজি, শাক ও গাজরের প্রভাবে মেদ বাধা পাবে। ফলে ডিমে বাড়বে না ওজন।

ওটমিল ও ডিম : ডিমের সঙ্গে ওটমিল খান। ওটমিল পাচনমূলক এসিড ক্ষরণেও বাধা দেয়। তাই ওটমিল খেলে সহজে খিদেও পায় না। ওটমিল শরীরে বাড়তি কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইড জমার পথে বাধা দেয়। এ দিকে ডিম জোগান দেয় প্রোটিনের। ফলে ওটমিল ও ডিম একত্রে লড়াই করলে মেদ জমা কঠিন হেয় দাঁড়ায়। সূত্র : আন্দবাজার পত্রিকা

Categories
Uncategorized

কতটা নিরাপদ ইমারজেন্সি জন্মনিরোধক পিল?

অপরিকল্পিত যৌনসঙ্গম হয়ে যেতেই পারে। এই পরিস্থিতিতে গর্ভধারণের ঝুঁকি এড়াতে জন্মনিয়ন্ত্রক ওষুধের সাহায্য নেন বেশিরভাগ নারী। গর্ভনিরোধক ওষুধ খেলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা কী কী প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি থাকে, এ বিষয়ে আমাদের অনেকেরই তেমন ধারণা নেই। জানেন, ইমারজেন্সি পিল আপনার জন্য কতটা নিরাপদ?বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জি নিউজ এক প্রতিবেদনে জানায়, ইমারজেন্সি কনট্রাসেপটিভ পিলস ব্যবহারের কিছু নিয়ম রয়েছে। আসুন, জেনে নিই সে সম্পর্কে—

১. গর্ভনিরোধক ওষুধকে অনেকে ‘মর্নিং আফটার পিল’ও বলে থাকেন। তবে এই ওষুধ সঙ্গমের পরের দিন সকালেই খেতে হবে এমন কোনো কথা নেই। রাতে সঙ্গমের পরও খেতে পারেন। যত তাড়াতাড়ি খাবেন, তত ভালো কাজ করবে গর্ভনিরোধক ওষুধ।

২. গর্ভনিরোধক ওষুধ গর্ভপাত করায় না, শুধু ডিম্বস্ফোটন বা ওভিউলেশনের সময় পিছিয়ে দিয়ে গর্ভধারণের ঝুঁকি এড়াতে সাহায্য করে। তাই গর্ভধারণের পর এই জাতীয় ওষুধ খেলে কোনো কাজ হবে না।

৩. গর্ভনিরোধক ওষুধ খেলে ওজন বেড়ে যাবে ভেবে অনেকেই ভয় পান। যদিও এর সঙ্গে ওজন বাড়ার কোনো সম্পর্ক নেই।

৪. কোনো গর্ভনিরোধক ওষুধই গর্ভধারণ রোধ করার শতভাগ প্রতিশ্রুতি দেয় না। তাই কিছু ক্ষেত্রে ওষুধ খাওয়ার পরও প্রেগন্যান্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

৫. গর্ভনিরোধক ওষুধ খাওয়ার ফলে পিরিয়ড সাইকেল অনিয়মিত হতে পারে। এ ছাড়া মাথা ঘোরা, বমির মতো সমস্যা হতে পারে।

৬. অপরিকল্পিত গর্ভধারণ রুখতে গর্ভনিরোধক ওষুধই শেষ কথা নয়। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর হলো কপার আইইউডি। এটি ১০ বছর পর্যন্ত প্রেগন্যান্সি রুখতে সক্ষম।

সবশেষ কথা হলো, অপরিকল্পিতভাবে যৌন মিলনের পর প্রথমেই গর্ভনিরোধক ওষুধ না খেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

Categories
Uncategorized

এ সময় সুস্থ থাকতে ডায়াবেটিস রোগীরা যা করবেন

পৃথিবী করোনাভাইরাসের আতঙ্কে জর্জরিত। ভ্যাকসিন আবিষ্কারের জন্য মরিয়া বিজ্ঞানীরা। চেষ্টার ত্রুটি রাখছেন না চিকিৎসক থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যকর্মীরা। সবাই যার যার জায়গা থেকে এ মারণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।স্বাস্থ্য ও জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশেষজ্ঞদের মতে, কোমর্বিডিটি যুক্ত রোগীরা এ ভাইরাসের সংক্রমণের ক্ষেত্রে ঝুঁকিতে রয়েছেন। এর মধ্যে একটি মধুমেহ বা ডায়াবেটিস।

চিকিৎসকদের মতে, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না থাকলে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়ার পাশাপাশি বেড়ে যায় রোগের জটিলতাও। সুতরাং আপনি যদি ডায়াবেটিস দ্বারা আক্রান্ত হয়ে থাকেন তবে সাবধান হোন। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে মেনে চলুন এই নিয়মগুলো—

১. মাস্ক ব্যবহার, হাত ধোওয়া, শারীরিক ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ইত্যাদি কোভিডের সুরক্ষাবিধি মেনে চলুন।

২. চেষ্টা করুন বাড়ির বাইরে এ সময় না বের হতে। বাড়ির কাজ সুস্থ সদস্যদের দিয়ে করান।

৩. বাইরে বেরোলে তিন স্তরযুক্ত মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। মেনে চলতে হবে সামাজিক দূরত্ব এবং বাড়ি ফিরলে সঙ্গে সঙ্গে ভালো করে হাত-পা-মুখ সাবান পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। পরিহিত কাপড়গুলো পরিবর্তন করে সাবান পানিতে কেচে নিতে হবে।

৪. ডায়াবেটিক কিটো-অ্যাসিডোসিস বা DKA নামের সমস্যা হলে অনেক সময় শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। এক্ষেত্রে করোনা লক্ষণের সঙ্গে গুলিয়ে না ফেলে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন। কারণ, DKA জটিল সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।

৫. ধূমপান করা চলবে না। পাশাপাশি মদ্যপানও বন্ধ রাখুন। এগুলোতে রোগের জটিলতা আরো বৃদ্ধি পায় এবং করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

৬. অন্যান্য দিনের মতোই রুটিন মেনে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ডায়াবেটিসের ওষুধ খেতে থাকুন। ওষুধ খাওয়ার ক্ষেত্রে অবহেলা করবেন না। অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে ওষুধ খাবেন।

৭. প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। কারণ সুগারের ওষুধ খাওয়ার পর পানি বেশি পরিমাণে না খেলে সমস্যা দেখা দেয়।

৮. সকাল-সন্ধ্যা ব্যায়াম করুন, এতে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি সুগারের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

৯. সুগার হঠাৎ বেড়ে গেলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

১০. করোনাকে নিয়ে ভয় না করে নিজেকে চিন্তামুক্ত রাখুন। এতে আপনি আরো সুস্থ থাকবেন। সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

১১. বাড়িতে কোনো অসুস্থ ব্যক্তি থাকলে তার থেকে নিজেকে দূরে রাখুন।

কোভিডের উপসর্গ দেখা দিলে যা করবেন

১. করোনার সামান্য উপসর্গ দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

২. ভয় না পেয়ে, কোভিডের টেস্ট না হওয়া পর্যন্ত চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী নিজেকে আলাদা ঘরে বন্দি রাখুন।

৩. আইসোলেশনে থাকার সময় ডাক্তারের পরামর্শ মেনে ডায়াবেটিসের ওষুধ খান। করোনার ভয়ে ওষুধ খাওয়া বন্ধ করবেন না, এতে বিপদ বাড়তে পারে।

৪. করোনা চিকিৎসা চলাকালে ডায়াবেটিসের কোন কোন ওষুধ আপনি খেয়েছেন তা চিকিৎসককে জানিয়ে দেবেন। এতে আপনার চিকিৎসার ক্ষেত্রে আরো সুবিধা হবে।

Categories
Uncategorized

শাকিব-অপুই সেরা, এমন জুটি আর হবে না

দর্শকপ্রিয়তা পাচ্ছে এনটিভির ঈদ আয়োজন। ঈদের দিন থেকে এনটিভির নানা আয়োজন উপভোগ করছেন দর্শক। পর্দার পাশাপাশি এনটিভির বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও অনুষ্ঠানগুলো দেখে প্রশংসা করছেন দর্শক।

সংগীত-নৃত্য, নাটক-টেলিফিল্মের পাশাপাশি দর্শক পছন্দ করছেন এনটিভিতে প্রচারিত চলচ্চিত্রগুলো। এরই ধারাবাহিকতায় আগামীকাল সোমবার সকাল ১০টা ৫ মিনিটে প্রচার হবে শাকিব-অপু অভিনীত চলচ্চিত্র ‘মনের জ্বালা’। ছবিটি পরিচালনা করেছেন মালেক আফসারী।

‘কোটি টাকার কাবিন’ ছবি দিয়ে জুটি বাঁধেন শাকিব খান-অপু বিশ্বাস। ৭০টির বেশি ছবিতে জুটি হয়ে কাজ করেছেন তাঁরা। প্রায় প্রতিটি ছবিই ব্যবসায়িকভাবে সফল। মাঝে প্রেম-বিবাহ ও বিচ্ছেদ। এর পর থেকে একসঙ্গে আর কোনো ছবিতে কাজ করছেন না তাঁরা। শাকিব খান নতুন নতুন নায়িকার সঙ্গে জুটি বেঁধে কাজ করছেন। অন্যদিকে, নায়িকা অপু বিশ্বাস বাপ্পীর বিপরীতে একটি ছবিতে অভিনয় করেছেন। তবে পরিচালক মালেক আফসারী মনে করেন, শাকিব খান যাঁর সঙ্গেই জুটি বাঁধুন না কেন, শাকিব-অপুর চেয়ে সেরা জুটি আর হবে না

আজ রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে এনটিভি অনলাইনকে মালেক আফসারী বলেন, ‘যখন কাজ করেছেন, তখন কিন্তু তাঁরা ছিলেন একে অপরের পরিপূরক। এমন জুটি আমাদের চলচ্চিত্রে হয়তো আর আসবে না। বিচ্ছেদের পর তো তাঁরা আজ কাজই করছেন না জুটি হয়ে। এটা আসলে আমাদের চলচ্চিত্রের জন্য ক্ষতি হয়ে গেল।’

‘মনের জ্বালা’ ছবিটি ২০১১ সালে মুক্তি পায় এবং সারা দেশে সফলতার সঙ্গে ব্যবসা করে। টানা এক মাস ছবিটি দর্শক দেখেছেন বলেও জানান মালেক আফসারী। তিনি বলেন, ‘এ ছবিটির সফলতার পর প্রযোজক আমাকে ডেকে আরেকটি নতুন ছবি বানানোর জন্য অনুরোধ করেন। এতটাই সফল ছিল ছবিটি।’

আফসারী আরো বলেন, ‘এ ছবির গল্প শাকিব খানকে কেন্দ্র করে নির্মাণ করেছিলাম। শাকিব খান আমাদের দেশের সুপারস্টার। যে কারণে এ ছবিতে তাঁর অভিনয়গুণ কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছি। প্রতিটি সিক্যুয়েন্সে তার প্রমাণ পাবেন দর্শক। মুক্তির এত বছর পার হলেও সবার ভালো লাগবে।’

শাকিব খান-অপু বিশ্বাস ছাড়াও ছবিতে অভিনয় করেছেন নাসরিন, কাবিলা, শিবা শানু, ইলিয়াস কোবরা, মিশা সওদাগর, শর্মিলী আহমেদ, ববিতা প্রমুখ।

Categories
Uncategorized

সুশান্তের অ্যাকাউন্ট থেকে তিন মাসে ৩ কোটি রুপি খরচ করেছেন রিয়া?

প্রয়াত বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের বাবা কে কে সিং নানা অভিযোগ এনে রিয়া চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। পুলিশ সব দৃষ্টিকোণ থেকে এ মামলার তদন্ত করছে। সুশান্তের বাবার অনুরোধে আর্থিক দিকগুলোও তদন্ত করছে পুলিশ। নতুন খবর, সুশান্তের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে ৯০ দিনে তিন কোটি রুপি খরচ করা হয়েছে।একাধিক সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে বলিউড বাবল প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বিহার পুলিশের দাবি, ৯০ দিনে সুশান্তের অ্যাকাউন্ট থেকে তিন কোটি রুপি খরচ করা হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তারা সব লেনদেন পর্যবেক্ষণ করছেন। এই অর্থ কি রিয়া চক্রবর্তী ব্যবহার করেছেন? সুশান্তের বাবার অনুরোধে বিহার পুলিশ আর্থিক দিকটা তদন্ত করছে। বিহার পুলিশের একটি দল মুম্বাইয়ে গিয়ে এ মামলার তদন্ত করছে এবং যেসব ব্যাংকে সুশান্তের অ্যাকাউন্ট রয়েছে, সেসব শাখা পুলিশ পরিদর্শন করেছে।রিয়া চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের মামলা করেছে ইডি (এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট)। শুধু তা-ই নয়, পত্রপত্রিকার খবর, সুশান্তের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৫৫ কোটি রুপি ছিল এবং রাতারাতি ৫৪ কোটি রুপি অ্যাকাউন্ট থেকে উধাও হয়ে গেছে। এর কারণ খুঁজে বের করতে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে।

গত ১৪ জুন আত্মহত্যা করেন সুশান্ত। তবে কঙ্গনা রনৌতসহ অনেকে একে খুন বলে অভিহিত করেছেন। অনেকে বলেছেন, সুশান্ত স্বজনপোষণের শিকার। মুম্বাই পুলিশ নানা দৃষ্টিকোণ থেকে এ মামলার তদন্ত করছে।

মামলার পর রিয়া চক্রবর্তী, শেখর কাপুর, আদিত্য চোপড়া, সঞ্জয় লীলা বানসালি, মুকেশ ছাবড়াসহ ৫০ জনের বেশি মানুষের বয়ান রেকর্ড করেছে পুলিশ।

Categories
Uncategorized

সিনহা হত্যা মামলায় প্রদীপ-লিয়াকত-নন্দদুলাল রিমান্ডে

পুলিশের গুলিতে সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান নিহতের ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় তিন আসামিকে আজ বৃহস্পতিবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এ ছাড়া মামলার বাকি চার আসামিকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।হত্যা মামলার প্রধান আসামি টেকনাফের বাহারছড়া শামলাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের প্রত্যাহার হওয়া পরিদর্শক লিয়াকত আলী, টেকনাফ থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ ও উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দদুলাল রক্ষিতকে সাতদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের আদালত।

এ ছাড়া সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) লিটন মিয়া, পুলিশ কনস্টেবল সাফানুর রহমান, কামাল হোসেন, আবদুল্লাহ আল মামুনকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুল আলম টিপু রিমান্ড শুনানি শেষে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরো বলেন, ‘র‍্যাবের পক্ষ থেকে মামলার সাত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করা হয়। অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে আবেদন করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে বিচারক তিনজনকে সাতদিন করে রিমান্ড দেন। বাকিদের জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

পরে আজ রাত সাড়ে ৯টার দিকে আদালত চত্বরে র‍্যাব-১৫ এর ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার মেজর মেহেদি হাসানও গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এ সময় তিনি আরো বলেন, যদি প্রয়োজন হয় তাহলে আবারো রিমান্ডের জন্য আদালতে আবেদন করা হতে পারে।

এর আগে আজ বিকেলে একই আদালতে আসামিদের হাজির করা হয়। এরপর আসামিদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়। তখন কোনো রিমান্ডের আবেদন করা হয়নি। অপরদিকে আসামিদের পক্ষ থেকে জামিন আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত আসামিদের জামিন আবেদন নাকচ করে দিয়ে কারাগারে আটক রাখার আদেশ দেন।

এরপর সন্ধ্যায় র‍্যাব সাত আসামিকে ১০ দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন।

এই হত্যা মামলায় মোট নয়জন আসামি হলেও আজ সাতজন আত্মসমর্পণ করেন। যে দুজন আত্মসমর্পণ করেননি পলাতক দেখিয়ে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

আসামি এসআই টুটুল ও কনস্টেবল মো. মোস্তফা আত্মসমর্পণ করেননি বলে নিশ্চিত করেছেন আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) ফরিদুল আলম। তিনি আরো বলেন, ‘মামলার নয় আসামির সাত আসামি আত্মসমর্পণ করেন। এসআই টুটুল ও কনস্টেবল মোস্তফা আত্মসমর্পণ করেননি।

‘আসামিরা আত্মসমর্পণ করেছেন এবং তারা জামিনের আবেদন করেছেন’, যোগ করেন পিপি।

Categories
Uncategorized

চীনে এবার নভেল বানিয়াভাইরাসের প্রাদুর্ভাব, ৭ জনের মৃত্যু

নভেল করোনাভাইরাসের প্রকোপে জর্জরিত বিশ্ব। চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ সারা বিশ্বকে কাঁপিয়ে দিয়েছে। এ অবস্থায় চীনের কয়েকটি প্রদেশে এক নতুন রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। এই নতুন  রোগের নেপথ্যেও ভাইরাস রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। আর ভাইরাসবাহিত এ রোগে চীনে এখন পর্যন্ত সাত জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রাণঘাতী এ ভাইরাসকে বলা হচ্ছে নভেল বানিয়াভাইরাস বা নিওবানিয়াভাইরাস।

সংবাদমাধ্যম সিএনএ ও তাইওয়ান নিউজ জানিয়েছে, চীনের আনহুই প্রদেশে গত এপ্রিল থেকে নভেল বানিয়াভাইরাসজনিত রোগ ২৩ জন আক্রান্ত হয়েছে। এদের মধ্যে পাঁচজন মারা গেছে। এ ছাড়া ঝেজিয়াং প্রদেশে মারা গেছে আরো দুজন। এ ছাড়া জিয়াংসু প্রদেশে এ বছর ৩৭ জন নিওবানিয়াভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে বলে জানা গেছে। এ ছাড়া আরো একাধিক প্রদেশে নিওবানিয়াভাইরাসে আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে। 

এ রোগের উপসর্গগুলো কী

নিওবানিয়াভাইরাসজনিত রোগে আক্রান্ত হলে জ্বর ও কাশি হয়। এ ছাড়া রক্তস্বল্পতার সমস্যা দেখা দিতে থাকে। যা বিপদে ফেলে দেয় অনেক রোগীকে। তবে এ ভাইরাস সম্পর্কে জানতে আরো গবেষণা চলছে বলে জানা গেছে।

পোকা থেকে ছড়ায় এ রোগ!

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নভেল বানিয়াভাইরাস পোকা থেকে ছড়াচ্ছে। এই ভাইরাস চীনে আগেও ছড়িয়েছিল। চীনে প্রথম এ ভাইরাস শনাক্ত হয় ২০১০ সালে। তবে নভেল বানিয়াভাইরাসের এবারের প্রাদুর্ভাব অন্য সময়ের চেয়ে বেশি।

কীভাবে ছড়াতে পারে এ ভাইরাস? বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পোকা থেকে এ ভাইরাস মানব শরীরে এলেও, মানুষ থেকে মানুষে ভাইরাসটি ছড়াতে বেশি সময় লাগবে না।